মেসির দাবি উড়িয়ে দিল কনমেবল

0
206
মেসি

লিওনেল মেসি পরের কোপা আমেরিকা খেলতে পারবেন কি না-তা সময়ই বলে দেবে। তবে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় তারকার এবারের টুর্নামেন্ট কাটলো চরম হতাশার। আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। বড়জোড় দলকে ফাইনালে তুলতেও পারেননি মহাতারকা।

উল্টো রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তে কোপার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ১৪ বছর পর লালকার্ড দেখেছেন তিনি। প্রথম দেখেন নিজের অভিষেক ম্যাচে ২০০৫ সালে। চিলির বিপক্ষে ২-১ গোলে আলবিসেলেস্তেদের জয় পাওয়া ম্যাচে দ্বিতীয়বারের মতো তা দেখলেন মেসি। অবশ্য যে অপরাধে লালকার্ড দেখেছেন সেটা গুরুতর ছিল না। অনেকটা অগ্রহণযোগ্য ও বিতর্কিতও বটে!

তাই ২০১৯ আসরে কোপায় তৃতীয় হলেও রাগে-ক্ষোভে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বয়কট করেন মেসি। তা করেই ক্ষ্যান্ত হননি তিনি। টুর্নামেন্টের রেফারি, ব্রাজিল ও লাতিন আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবলকেও ধুয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এবারের কোপা দুর্নীতি ও পক্ষপাতে ভরপুর বলেছেন তিনি। কোনো রাগঢাক না রেখেই ছোট ম্যাজিসিয়ান বলেন, ব্রাজিলকে ট্রফি জেতাতেই রেফারির এত বাজে রেফারিং এবং কনমেবলের দুর্নীতি।

এর আগে সেমিফাইনালে ব্রাজিলের কাছে হারার পর রাগ-ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটান মেসি। রেফারির পক্ষপাতমূলক আচরণ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। তার দাবি ছিল, ওই ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে দুটি পেনাল্টি দেননি রেফারি। এক ম্যাচ পরেই লালকার্ড দেখলেন ফুটবলের বরপুত্র।

মেসির সব সমালোচনার জবাব দিয়েছে কনমেবল। আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমেই তা জানিয়েছে সংস্থাটি। ছোট খুদে জাদুকরের দাবিকে অগ্রহণযোগ্য ও ভিত্তিহীন বলছেন তারা।

বিবৃতিতে কনমেবল জানায়, খেলায় হার-জিত থাকবেই। সম্মানের সঙ্গে ফল মেনে নিতে হবে। এটা ফেয়ার-প্লের অন্যতম অংশ। রেফারির ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। সবসময় সবকিছু সুচারুভাবে সঠিক নাও হতে পারে। মেসির এ ধরনের মন্তব্য অগ্রহণযোগ্য। ১২ জাতির এ প্রতিযোগিতায় সবার জন্যই সমান নিয়ম প্রযোজ্য। এমন মন্তব্য কোপার প্রতি সম্মান না থাকা বোঝায়।